মহাকাশযান নাকি ওমুয়ামুয়া?

Life24 Desk   -  

সৌরমণ্ডলে ঢুকে পড়েছে ভিনগ্রহীদের একটি মহাকাশযান। ভিনগ্রহীদের সেই মহাকাশযানটি বৃহস্পতির কক্ষপথ পেরিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকেই। মহাকাশযানের পৃথিবীতে পৌঁছতে খুব একটা সময়ও লাগবে না। কারণ,সূর্যের আলোয় জোরে ছুটে আসছে, জোরে ছোটাতে কোনও জ্বালানির প্রয়োজন হচ্ছে না। একথা জানিয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান আব্রাহাম লোয়েব।

অন্য কেউ বললে উড়িয়ে দেওয়া যেত। কিন্তু বলছেন যে অভি লোয়েব! যাঁর বাড়িতে এসে ডিনার করেছিলেন স্টিফেন হকিং। ডাকসাইটে চলচ্চিত্র পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ যাঁর কাছে এসে বলেছিলেন, ছবি করব। মহাকাশ নিয়ে একটা ভালো আইডিয়া দিন তো। যাঁর অফিসে এসে দেখা করেছিলেন রুশ ধনকুবের কোটিপতি য়ুরি মিলনার। মিলনার বলেছিলেন, সভ্যতা প্রথম যে আন্তর্নক্ষত্র মহাকাশযান পাঠাবে, তার নকশা বানিয়ে দিতে, যার মূল্য ১০ কোটি ডলার। ফেসবুকের প্রধান মার্ক জুকেরবার্গও তাঁকে দিয়েছেন একটি কঠিন দায়িত্ব।

কেউ যা ভাবারও সাহস পায় না, সেই কথাই বলায়, তাঁর নিন্দুকের সংখ্যা খুব কম নয়। বিশ্বের কোথাও এক দিন তাঁর সমালোচনা না করলেই লোয়েবের মনে হয়, তিনি মঙ্গল বা বৃহস্পতিতে চলে গিয়েছেন বলে কেউ তাঁর সুলুকসন্ধান পারছে না।

টেলিস্কোপে ধরা পড়ল অদ্ভুত একটি মহাজাগতিক বস্তু। যা অন্য নক্ষত্রমণ্ডল থেকে এসে সুদূর অতীতে ঢুকে পড়েছিল আমাদের সৌরমণ্ডলে। তারপর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে দ্রুত গতিবেগে বেরিয়ে যাচ্ছে সৌরমণ্ডল ছেড়ে। যার ফলে বেশিক্ষণ দেখাও যাচ্ছে না, ঠাওর করতে পারছেন না বিশ্বের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এইটুকুই বোঝা গেছে, সেটা পাথুরে, দেখতে  সিগারের মতো লম্বাটে ও খুব পাতলা। বড়জোর ১ মিলিমিটার পুরু। বিজ্ঞানীদের কেউ বলছেন, ওটা ধূমকেতু। কেউ বলছেন, ওটা গ্রহাণু বা তার অংশবিশেষ। যার নাম-‘ওমুয়ামুয়া’।

লোয়েব কয়েক মাস আগেই বলেছিলেন, ‘‘ওটা ভিনগ্রহীদের মহাকাশযান। ধূমকেতু বা গ্রহাণুর চেয়ে যা  অনেক বেশি জোরে ছুটছে। লোয়েবের ওই মন্তব্যের পরেই নিন্দা,বিজ্ঞানীদের ‘ঢিল, পাটকেল’ ছোড়া, সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছিল।

বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী পল সাট্টার বলেন, ওটা মোটেই ভিনগ্রহীদের মহাকাশযান নয়। সৎ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের পদ্ধতিগুলিকে অপমান করেছেন। এটা কিছুতেই মানা যায় না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইথান সিগেল ও ক্যাটি ম্যাক বলেন, ‘অত্যন্ত অসাধু উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে। এই সবের কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। জনপ্রিয়তার মোহে এই সব বলছেন লোয়েব।’

তা শুনে লোয়েব হেসে বলেন, আমি হাসছি। যাঁরা এই সব বলছেন, তাঁরা কিন্তু আমাকে ভুলও প্রমাণ করতে পারছেন না। সেটা যদি পারেন, আমি আমার কথা ফিরিয়ে নেব। কী হবে বড়জোর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যে প্রশাসনিক দায়িত্ব রয়েছি, সেটা ছেড়ে দিতে হবে। ভালোই হবে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের গবেষণায় আমি আরও বেশি করে মন দিতে পারব।

Spread the love

আপনার প্রিয় ওয়েব ম্যাগাজিন ‘Life24’-এ আপনিও লিখতে পারেন এই ম্যাগাজিনের উপযুক্ত যে কোনও লেখা। লেখার সঙ্গে পাঠাবেন উপযুক্ত ২-৩টি ফটো। লেখা পাঠাবেন ইউনিকোডে টাইপ করে। ইউনিকোড ছাড়া কোনও লেখাই গ্রহণ করা হবে না। লেখা ও ফটো পাঠাবেন editor.life24@gmail.com আইডি-তে। কোন সেগমেন্টের লেখা পাঠাচ্ছেন, তা মেলের সাবজেক্টে অবশ্যই লিখে দেবেন। আর অবশ্যই মেলে আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর জানাবেন।

Life24 ওয়েব ম্যাগাজিনে খুব কম খরচে আপনার পণ্য কিংবা সংস্থার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন। বিস্তারিত জানার জন্য মেল করুন advt.bearsmedia@gmail.com আইডি-তে।

Life24 ওয়েব ম্যাগাজিনে ৩১ মার্চ পর্যন্ত আপনি একেবারেই বিনামূল্যে দিতে পারবেন শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপন। এই বিভাগের যে কোনও সেগমেন্টের জন্য ৫০ শব্দের মধ্যে ইউনিকোডে লিখে মেল করে দিন advt.bearsmedia@gmail.com আইডি-তে।  মেলের সাবজেক্টে লিখে দেবেন 'শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপন'।

# 'Life24' ওয়েব ম্যাগাজিন বা এই ওয়েব ম্যাগাজিনের লেখা সম্পর্কে আপনার মতামত লিখে জানান নিচের কমেন্ট বক্স-এ। আর হ্যাঁ, ম্যাগাজিনটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন আপনার পরিচিতদের।