অনামিকার গঠন দেখে চরিত্র বিচার

Life24 Desk   -  

সাহেবী রিং ফিঙ্গার-এর সংস্কৃত শব্দ অনামিকা, যার অর্থ নামহীন। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, অনামিকাকে সারা বিশ্বে রবির আঙুল হিসেবে চিহ্নিত করে।

রবি মানে অর্থ, ঔজ্জ্বল্য, শিক্ষা ও দীক্ষাদানের অধিকারী, সব রকম শিল্প, জনশীলতা, সাফল্য, প্রতিষ্ঠা, উঁচু পদে অধিষ্ঠান ও শিল্পী প্রতিভা।

অনামিকার গঠন অনুযায়ী কীভাবে জাতকের চরিএ বিচার করা হয় জেনে নেওয়া যাক…

হিউমার বা রসবোধের আঙুল অনামিকাকে বলা হয়ে থাকে।

১) যদি কারোর অনামিকা পুষ্ঠ বা সুগঠিত হয় তবে বুঝতে হবে, সে অনেককে আশ্রয় দিয়ে থাকে। কেউ যদি তার কাছে যায় সে বুঝতে পারে এমন মানুষের সংস্পর্শে এসেছে যাতে সে নিজেকে ধন্য মনে করে। যোগশাস্ত্র অনুযায়ী, বিবর্তনের দিক থেকে তারাই অভিজ্ঞ যাদের বেশি রসবোধ আছে।

২) আবার, তর্জনীর চেয়ে অনামিকা দৈর্ঘে ছোট হয় যদি, তবে তারা বুঝতে হবে খুব আত্মবিশ্বাসী। সব অবস্থায় সন্তুষ্ট হয়ে থাকতে পারে। এধরনের জাতকরা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকে। নিজের স্বার্থ এরা খুব ভালো বোঝে। এই ধরনের মানুষেরা খুব আত্মবিশ্বাসী হয়। এদের মধ্যে এদের অহংকারবোধ প্রবলভাবে থাকে। আর্থিক দিক থেকেও এরা  ভালো রকম প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্পর্কের দিকে এরা এগিয়ে আসে না কখনও আগে থেকে।

৩) অন্যদিকে, তর্জনী ও অনামিকা দুটিই যদি সমান মাপের হয়, সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে পারে ঘরোয়া ও সামাজিক সম্পর্কে। এরা সাধারনত বিবাদে পছন্দ করে না। সাধারণ শান্তিপ্রিয় ধরনের মানূষ হয়ে থাকে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক বেশি  যত্নশীল ও বিশ্বস্ত। এরা খুব আন্তরিকও হয়ে থাকে।

৪) যদি তর্জনীর চেয়ে দৈর্ঘে অনামিকা বড় হয়, অনেককেই দেখা যায় এরম অনামিকার জাতক। নিজের যোগ্যতা ও গুণ সম্বন্ধে এরা উদাসিন থাকে। তবে তারা কিছুটা সৃজনশীলতা এবং শৈল্পিক মনের হয়ে থাকে। তবে এরা সৃজনশীল মাস্তিকের হলেও সেভাবে স্বীকৃতি পেতে দেখা যায় না। এরা বিনামূল্যে জগতের বিস্ময়কর সৃজনশীল অনেক আবিষ্কার করেছন। এদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং নেতৃত্ব দেওয়ার অভাব দেখতে পাওয়া যায়। এদের সৃজনশীলতাকে অর্থমূল্যে বিচার করে না। ফলে এরা নিজেকে পিছিয়ে যায়।

৫) অনামিকা যদি খুব ছোট হয়, যেখানে মধ্যমার নখের প্রথম পর্বের চেয়ে নীচে থাকে, এরা নিজেকে সেভাবে প্রকাশ করতে পারে না। তাদের মধ্যে  সেভাবে রসবোধ দেখতে পাওয়া যায় না। পারিবারিক দিক থেকেও এরা বেশ উদাসিন হয়, কোনও দায়িত্ব নিতেও এরা পারে না। তবে এরা খুব ধনী হয়।

৬) শনি বা মধ্যমার দিকে যাদের অনামিকা ঝুঁকে থাকে। সেই জাতকরা ভালো দার্শনিক বা পদার্থবিদ হয়ে থাকে। নিজেদের আবেগকে এরা বশে  রাখতে পারে।

৭) মধ্যমার দিকে অনামিকার মাথাটা যদি সামান্য বেঁকে থাকে, তবে তারা সেভাবে নিজেরাই নিজেদের সৃষ্টিশীলতাকে গুরুত্ব দেয় না।

৮) অনামিকার আঙুলের নখের মাথার দিকটা যদি ‘স্প্যাচুলার’ মতো  দেখতে হয়, তা হলে নামকরা সুরকার হয় তারা।

৯) যদি কারোর অনামিকা দৈর্ঘে মধ্যমার কাছাকাছি হয়, তা হলে এরা জীবনে সব ব্যাপারে ঝুঁকি নেয়। এরা জীবনটাকে জুয়ার মতো বাজি রাখে।

Spread the love