তৃণমূলের প্রার্থীপদে কিছু পুরোনো মুখ বাতিল, কিন্তু কেন?

Life24 Desk   -  

লোকসভা ভোটে রাজ্যে ৪২টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে কিছু প্রার্থী বদল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ লোকসভা ভোটে দাঁড়াবেন না তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নির্ভরযোগ্য সেনাপতি প্রথম থেকেই চাইছিলেন দলের কাজে আরও মনোনিবেশ করতে। তাই এবার তাঁকে দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্র থেকে আর প্রার্থী করলেন না মমতা। সেই জায়গায় নিয়ে এলেন কলকাতা পুরসভার মালা রায়কে।

এবারের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাদবপুরের সাংসদ সুগত বসুও। হার্ভার্ড-এর অধ্যাপক তাঁর পেশাদারি ব্যস্ততার কারণেই আর ভোটে দাঁড়াতে পারছিলেন না বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

বাদ গেলেন প্রবীণ অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়ও। তাঁকে অবশ্য বয়সের জন্যই এবার প্রার্থী করলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বসিরহাট থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ইদ্রিশ আলিকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য জানিয়েছেন ইদ্রিশকে বিধায়ক করবে দল। তবে ইদ্রিশের বসিরহাট এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল দলের মধ্যেই।

বিজেপিতে চলে গেছেন বিষ্ণুপুরের সৌমিত্র খাঁ। তাঁর জায়গায় প্রার্থী করা হল শ্যামল সাঁতরাকে। কোচবিহার থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পার্থপ্রতিম রায়কে। সূত্রের খবর, বিজেপির দিকে পা বাড়িয়ে আছেন বলে পার্থর বিরুদ্ধে কানাঘুঁসো চলছিল। সেকারণেই তাঁকে সরিয়ে দিয়ে প্রার্থী করা হল পরেশচন্দ্র অধিকারীকে। বোলপুর থেকে প্রার্থী হয়েছেন অসিত মাল। কারণ ওই কেন্দ্রের সাংসদ অনুপম হাজরা আজই যোগ দিলেন বিজেপিতে।

কৃষ্ণনগর থেকে বাদ গেলেন তাপস পাল। রোজভ্যালি কাণ্ডে কার্যত বিপর্যস্ত তাপসকে প্রার্থী করতে আর রাজি ছিলেন না মমতা। তাঁর জায়গায় প্রার্থী করা হল মহুয়া মৈত্রকে।

Spread the love